Banner
English »
» পূর্ববর্তী সংখ্যাসমূহ  
সর্বমোট ব্রাউজ সংখ্যা
সর্বোমোট হিটঃ  364595
স্বতন্ত্র ভিজিটঃ  24029
আজকের হিটঃ  351

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করেছেন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব বৃষ কেতু চাকমা।


প্রস্তবিত বাজেটে আয়ের খাতে উন্নয়ন ও সংস্থাপন ব্যয় বাবদ সরকার থেকে ৫৭ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা থোক বরাদ্দ এবং পরিষদের নিজস্ব আয় হতে ২ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে।
অন্যদিকে পরিষদের ব্যয়ের খাতে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা এবং তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ূ পরিবর্তন, ডিজিটাল রাঙ্গামাটি, সমাজ কল্যাণ, সংস্কৃতিক এবং পর্যটন সহ ১৬ টি খাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের বরাদ্দ বিভাজন করা হয়েছে।
বাজেট ঘোষণা কালে চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে প্রস্তাবিত ৫৫ কোটি টাকা বাজেটের বিরপরীতে পার্বত্য মন্ত্রনালয় হতে ৪৩ কোটি ৪৬ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা এবং নিজস্ব আয় হতে ২ কোটি ৫৯ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা সহ সর্বমোট ৪৬ কোটি টাকা ও ০৫ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা পেয়ে তা উন্নয়ন ও সংস্থাপন কাজে ব্যয় করা হয়েছে।
বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে বৃষ কেতু চাকমা বলেন, ২০২১ সালে বর্তমান সরকার এ মেয়াদের মধ্যেই জাতিকে উপহার দিবে রূপকল্প ২০৪১। এই নতুন রূপকল্পের হাত ধরে রাঙ্গামাটি জেলা হবে একটি শান্তিপুর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী ও উন্নত জনপদ। তিনি বলেন, আলোকোজ্জ্বল সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় রাঙ্গামাটি বিনির্মাণে এবং দেশের উন্নয়ন ও মঙ্গলের স্বার্থে সব বিভেদ ভুলে সম্মিলিত ভাবে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস,এম জাকির হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য অংসুই প্রু চৌধুরী, হাজী মুছা মাতব্বর, ত্রিদীব কান্তি দাশ, রেমলিয়ানা পাংখোয়া, জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, জেবুন্নছা রহিমসহ পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উন্নয়ন প্রকল্পের খাতওয়ারী বিভাজনের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা এবং তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ৮ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা, যোগাযোগ অবকাঠামো ৮ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা, ধর্ম খাতে ৮ কোটি ১৮ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, সমাজ কল্যাণ, আর্থ সামাজিক ও নারী উন্নয়ন খাতে ৫ কোটি ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, পুর্ত (গৃহ/অবকাঠামো নির্মাণ) ৬ কোটি ১৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ ৬ কোটি ১৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ২ কোটি৫৫ লক্ষ ৭৫ টাকা, জলবায়ু পরিবর্তণ ও পরিবেশ (বৃক্ষ রোপণ, বনায়ন) ১ কোটি ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ৫১ লক্ষ ১৫ হাজার, পর্যটন খাতে ১ কোটি ২ লক্ষ ৩০ হাজার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৪৫ টাকা, ভুমি ও হাট বাজার ৫১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা, শিশু উন্নয়ন খাতে ৫১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা, বিবিধ খাতে (পরিষদের আয় বর্ধক প্রকল্প) ৫১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা।

রাঙ্গামাটিতে ৪র্থ শ্রেণীর প্রাইমারি বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান-২০১৬

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি পারিবারিক নৈতিক শিক্ষা দিয়ে শিশুদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উপর আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু। তিনি বলেন ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দেশ এগিয়ে গেলেও এর কিছু অপব্যবহারের ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। তাই ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যাবহার বন্ধে পারিবারিক নৈতিক শিক্ষা বাড়াতে হবে। তিনি উন্নত বিশ্বের সাথে দেশকে এগিয়ে নিতে তথ্য প্রযুক্তির সদ্ব্যবহারে মনোযোগী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
সোমবার (৭নভেম্বর) সকালে রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টীর ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রবর্তিত ৪র্থ শ্রেণীর প্রাইমারি বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করে এখানকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করে ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি কিংবা জঙ্গীবাদ কখনো শান্তি আনতে পারেনা। শান্তির জন্যও প্রয়োজন পারিবারিক নৈতিক শিক্ষা। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব বজায় রেখে এলাকার সামাজিক শৃংখলা রক্ষায় সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন, জেলা শিক্ষা কর্তকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, পাহাড়ের প্রত্যেকটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার সযোগ সৃষ্টি করতে এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যন্ত স্কুল গুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসন করে অচিরেই শুন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদের এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মানউন্নয়নে ছাত্র/ছাত্রী অবিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশী। তাই প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করতে অবিভাবক ও শিক্ষকদেরও প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাওয়া । তিনি স্কুলে কোন শিশুকে বেত্রাঘাত না করার জন্য শিক্ষকদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে সরকারী সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতয় ঘটছে। এমন আচরণ থেকে নিবৃত থাকতে তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান। তিনি শিশুদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে জাতির আগামী দিনের কান্ডারী হিসাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের পাশাপশি অভিভাবকদেরও জোর প্রচেষ্ঠা চালাতে আহ্বান জানান তিনি।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর বলেন, রাঙ্গামাটি অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে শিক্ষকরা স্কুলে পাঠদান করছেন। শিশুদের লেখাপড়া করাচ্ছেন। কিন্তু এ শিক্ষকরা একেবারে শান্তিতে নেই। এ অঞ্চলের সন্ত্রাসীরা শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাদাঁ নিচ্ছেন। যা অত্যন্ত দুঃখের ও লজ্জার। স্কুরে শিক্ষক সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণ করতে হয়। কিন্ত এ কোটায় প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ দিতে না পারায় পদগুলোর বড় একটা অংশ অপূরণ থাকে যে কারণে জনবল সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। তিনি এ সংকট নিরসনে সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলে মত ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে ৪র্থ শ্রেণীর বৃত্তি পরিক্ষায় অংশ নেওয়া রাঙ্গামাটি ১০টি উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালরে অনন্য মেধায় ৩০জন, ট্যালেন্টপুলে ৮৬জন ও সাধারণ গ্রেডে ২৪৬জন মোট ৩৬২জন কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে ৪লক্ষ ৩৫হাজার টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রত্যেককে সনদ পত্র ও ত্রেস্ট প্রদান করা হয়।

রংগামাটিতে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত-২০১৬

সকলের জন্য স্যানিটেশন, নিশ্চিত হোক উন্নত জীবন” এ প্রতিপাদ্যে রাঙ্গামাটিতে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০১৬ পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ( ২৭অক্টোবর) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের আয়োজনে শহরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে।
শোভাযাত্রাটি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ হতে শুরু হয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে গিয়ে আলোচনাসভায় মিলিত হয়। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জহির উদ্দিন দেওয়ান, রাঙ্গামাটি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর, খাগড়াছড়ি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রউফ।
আলোচনাসভায় বক্তরা বলেন, তৃণমূল এলাকার মানুষদের স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানি পান সম্পর্কে আরো সচেতন করতে হবে। বিশেষ করে মায়েরা ঘরের রান্নাবান্না কাজে অবশ্যই ভালো পানি দিয়ে রান্না করা এবং শিশুদের খাওয়ার আগে-পরে ও ল্যাট্্িরন থেকে আসার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে। এ বিষয়ে নিজে এবং পরিবারের সকলের নজর রাখতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে হবে। প্রতিদিনের এ কাজ যদি সফলতার সাথে বাস্তবায়ন সম্ভব হয় তাহলেই আমরা ও আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুস্থ থাকা যাবে বলে সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠিত র‌্যালি ও আলোচনাসভায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ই-ফাইল প্রশিক্ষণ কর্মশালা

একটি আধুনিক, দক্ষ এবং সেবামুলক জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে সরকারি কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বোত্তম প্রয়োগ প্রয়োজন। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আনয়নের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চত করা সম্ভব হবে।

ই-ফাইল ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে আরো একধাপ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে দাপ্তরিক নথি ব্যবস্থাপনা ও রেকর্ড সংরক্ষণে ই-ফাইল একটি কার্যকর টুল হিসেবে বিবেচিত হবে।

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজে এবং স্বল্প সময়ে স্বল্প সময়ে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বর্তমানে নথি-পত্রাদি ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন পদে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে তাই হল ই-ফাইল অর্থাৎ এক কথায় বলতে গেলে পেপার লেস ফাইলকে বুঝায়।

সচিবালয় নির্দেশমালাতেও ই-ফাইল বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আবশ্যিক কৌশলগত উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কার্যপদ্ধতি ও সেবার মানোন্নয়ন সংক্রান্ত কৌশলগত উদ্দেশ্যের বিপরীতে ই-ফাইল সংক্রান্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।¬¬

জাতীয় পাট দিবস ২০১৭ উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে পাট অধিদপ্তর ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের আয়োজনে সারাজেলার ন্যয় রাঙ্গামাটিতেও পালিত হলো জাতীয় পাট দিবস-২০১৭


জনাব বৃষ কেতু চাক্‌মা, Chairman, Rangamati Hill District Council

জনাব বৃষ কেতু চাক্‌মা

চেয়ারম্যান
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ

» চেয়ারম্যান এর বার্তা

সংবাদ এবং ঘটনাসমুহ
১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন পালন
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৬ উদযাপন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক সম্মাননা প্রদান
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে রাঙ্গামটি পার্বত্য জেলা পরিষদের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ২০১৬
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা
রাঙ্গামাটিতে ৪র্থ শ্রেণীর প্রাইমারি বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান-২০১৬
রংগামাটিতে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত-২০১৬
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ই-ফাইল প্রশিক্ষণ কর্মশালা
জাতীয় পাট দিবস ২০১৭ উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি
» সব সংবাদ